ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রাষ্ট্র মেরামতের পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার- এমপি জাহান্দার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মাদারীপুরে চারা বিতরণ নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের দৌড়ে এগিয়ে খোকন তালুকদার মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আগামীর নির্বাচন সহজ হবে না-এমপি জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে অসহায় পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করলেন এমপি হেলেন জেরিন মাদারীপুরে এশিয়া পোস্ট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদারীপুরে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় আপনারা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একএকজন এম্বাসেডর মাদারীপুরে- নৌপ্রতিমন্ত্রী

মাদারীপুরে গণকবরের নামে সরকারি টাকা আত্মসাৎ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৭৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৬৯

স্টাফ রিপোর্টার: মাদারীপুরে গনকবর ভরাটের প্রকল্পের সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে, সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য আপিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে (৭ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকালে সংবাদ কর্মিরা সরেজমিনে যায়। সকালে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া হলেও কবরস্থানে কোনো কাজই হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের গোসাইদিয়া গ্রামের ছালাম হাওলাদারের বাড়ি সংলগ্ন একটি গণকবর রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের আওতায় উক্ত গনকবরের জন্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। তবে বরাদকৃত সরকারি টাকা উত্তোলনের দু’মাস পেরিয়ে গেলেও কবরস্থানে মাটি ভরাটের কোনো চিহ্ন নেই।

অন্যদিকে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমরা শুনেছিলাম কবরস্থানটি সরকারি টাকায় ভরাট করা হবে। কিন্তু দায়িত্বে থাকা নারী ইউপি সদস্য টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে, মুসলিম হয়েও কবরের মাটি ভরাটের টাকা আত্মসাৎ করা, লজ্জাজনক। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও সন্ত্রাসী বাহিনী লালন করার কারণে অনেকে ভয় পেয়ে মুখ খুলতে পারেন না।

তবে ইউপি সদস্য আপিয়া আক্তার জানান, টাকা উত্তোলন করে আমি আমার কাছে রেখেছি। এখানে বালু দিলে থাকবে না, তাই মাটি দিতে হবে। কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শুরু করব।

মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কবরস্থানের মতো সংবেদনশীল স্থানের কাজে দুর্নীতি করলে এর সঠিক তদন্ত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারীপুরে গণকবরের নামে সরকারি টাকা আত্মসাৎ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৪:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৬৯

স্টাফ রিপোর্টার: মাদারীপুরে গনকবর ভরাটের প্রকল্পের সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে, সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য আপিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে (৭ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকালে সংবাদ কর্মিরা সরেজমিনে যায়। সকালে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া হলেও কবরস্থানে কোনো কাজই হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের গোসাইদিয়া গ্রামের ছালাম হাওলাদারের বাড়ি সংলগ্ন একটি গণকবর রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের আওতায় উক্ত গনকবরের জন্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। তবে বরাদকৃত সরকারি টাকা উত্তোলনের দু’মাস পেরিয়ে গেলেও কবরস্থানে মাটি ভরাটের কোনো চিহ্ন নেই।

অন্যদিকে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমরা শুনেছিলাম কবরস্থানটি সরকারি টাকায় ভরাট করা হবে। কিন্তু দায়িত্বে থাকা নারী ইউপি সদস্য টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে, মুসলিম হয়েও কবরের মাটি ভরাটের টাকা আত্মসাৎ করা, লজ্জাজনক। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও সন্ত্রাসী বাহিনী লালন করার কারণে অনেকে ভয় পেয়ে মুখ খুলতে পারেন না।

তবে ইউপি সদস্য আপিয়া আক্তার জানান, টাকা উত্তোলন করে আমি আমার কাছে রেখেছি। এখানে বালু দিলে থাকবে না, তাই মাটি দিতে হবে। কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শুরু করব।

মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কবরস্থানের মতো সংবেদনশীল স্থানের কাজে দুর্নীতি করলে এর সঠিক তদন্ত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।