ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
মাদারীপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে নারীসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক মাদারীপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি!ডিলারকে ৬০ হাজার টাকা মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শীতবস্তু বিতরণ ইসলা‌মিক বক্তা সাঈদ আনসারীর মনোনয়নপত্র বাতিল বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মাদারীপুরে দোয়া মাহফিল মাদারীপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক বেপারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ মাদারীপুরে কোপানো ও শ্লীলতাহানির ঘটনা এক সপ্তাহ পার হলেও মামলা নেয়নি পুলিশ মাদারীপুরে বাথরুমে ফেলে দেওয়া সেই নবজাতক পেল বাবা-মা মাদারীপুরে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে চিকিৎসকের আত্মহত্যা মাদারীপুরে রাতের আঁধারে কবর থেকে লাশ উধাও অবিশ্বাস্য ঘটনায় স্তব্ধ এলাকাবাসী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মাদারীপুর আসছেন এসপি এহতেশামুল! ছিলেন বনজের প্রিয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ৪৪০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আওয়ামী শাসনামলে বহাল তবিয়তে পিবিআইতে কর্মরত থাকা এহতেশামুল হক ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার পদে কর্মরত ছিলেন, নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাব দেখানো এই কর্মকর্তা পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিও পেয়েছিলেন আওয়ামী শাসনামলে। তবে সুত্র বলছে এই বিতর্কিত কর্মকর্তা ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশকে চরমভাবে কলুষিত করার পর গতকাল বুধবার (২৬ নভেম্বর) প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী হয়ে আসছেন।

জানাযায়, আওয়ামী শাসনামলে ভারতীয় এজেন্ট বনজ কুমার মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এহতেশামুল হক ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাবধারার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন, জানা গেছে আওয়ামী ঘেষা এক জামায়াত নেতাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে লবিং করিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বাস্তবতা বলছে আওয়ামী শাসনামলে কোন কর্মকর্তার মধ্যে জামায়াত বা বিএনপি ঘনিষ্ঠতার ন্যুনতম তথ্য পাওয়া মাত্র সেই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয়া হতো। পুলিশের বর্তমান আইজিপি সহ অসংখ্য মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন কিন্ত ঠিকই বহাল তবিয়তে ছিলেন নব্য জামায়াত সাজা এহতেশামুল হকের মতন পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক সূত্র প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন, জামায়াত একটি দ্বীনি রাজনৈতিক সংগঠন, কোন কর্মকর্তা নিজেকে জামায়াত দাবি করলেই সে জামায়াত হয়ে যায় না। তবে বহু ফ্যসিস্টের দালাল পুলিশ বা প্রশাসনের কর্মকর্তা নিজেদের জামায়াত দাবি করে বাড়তি ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন,বাস্তবে এমনটির কোন সুযোগ নেই বলেও নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি। কিন্তু দীর্ঘদীন বনজ কুমার মজুমদারের সরাসরি দালালি করা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক নিজেকে অতি জামায়াত প্রমাণ করতে নানান অপতৎপরতা চালাচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। সুত্র আরও জানায়, আওয়ামী শাসনামলে সরাসরি ভারতীয় এজেন্ট ও বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব বলয়। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দেশে স্বর্ণ চোরাকারবার ও হুন্ডি কারবারের অন্যতম গডফাদার পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতে পালালেও গণঅভ্যত্থান পরবর্তী নতুন পুলিশ বাহিনীতে চট্রগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে ফের দাপুটে অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন বনজ কুমার মজুমদারের অনুসারী পিবিআই সিন্ডিকেটের কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে জেলার সচেতন মহলের বলছেন, নিজেকে অতি জামায়াত পন্থী প্রমাণের জন্য মরিয়া এই বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কতোটুকু নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন তা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গণে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

অন্যদিকে ইতোমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, আইজিপি কমপ্লেইন সেল, দুদকসহ অন্তত ১০ টি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এসপি এহতেশাম হকের বিরুদ্ধে। আরও জানাযায়, হাইকোর্টে রিট এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অভিযোগের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে এই এসপির বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পুলিশ সুপার এহতেশামুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। সুত্রঃ দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মাদারীপুর আসছেন এসপি এহতেশামুল! ছিলেন বনজের প্রিয়

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আওয়ামী শাসনামলে বহাল তবিয়তে পিবিআইতে কর্মরত থাকা এহতেশামুল হক ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার পদে কর্মরত ছিলেন, নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাব দেখানো এই কর্মকর্তা পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিও পেয়েছিলেন আওয়ামী শাসনামলে। তবে সুত্র বলছে এই বিতর্কিত কর্মকর্তা ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশকে চরমভাবে কলুষিত করার পর গতকাল বুধবার (২৬ নভেম্বর) প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী হয়ে আসছেন।

জানাযায়, আওয়ামী শাসনামলে ভারতীয় এজেন্ট বনজ কুমার মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এহতেশামুল হক ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাবধারার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন, জানা গেছে আওয়ামী ঘেষা এক জামায়াত নেতাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে লবিং করিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বাস্তবতা বলছে আওয়ামী শাসনামলে কোন কর্মকর্তার মধ্যে জামায়াত বা বিএনপি ঘনিষ্ঠতার ন্যুনতম তথ্য পাওয়া মাত্র সেই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয়া হতো। পুলিশের বর্তমান আইজিপি সহ অসংখ্য মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন কিন্ত ঠিকই বহাল তবিয়তে ছিলেন নব্য জামায়াত সাজা এহতেশামুল হকের মতন পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক সূত্র প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন, জামায়াত একটি দ্বীনি রাজনৈতিক সংগঠন, কোন কর্মকর্তা নিজেকে জামায়াত দাবি করলেই সে জামায়াত হয়ে যায় না। তবে বহু ফ্যসিস্টের দালাল পুলিশ বা প্রশাসনের কর্মকর্তা নিজেদের জামায়াত দাবি করে বাড়তি ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন,বাস্তবে এমনটির কোন সুযোগ নেই বলেও নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি। কিন্তু দীর্ঘদীন বনজ কুমার মজুমদারের সরাসরি দালালি করা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক নিজেকে অতি জামায়াত প্রমাণ করতে নানান অপতৎপরতা চালাচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। সুত্র আরও জানায়, আওয়ামী শাসনামলে সরাসরি ভারতীয় এজেন্ট ও বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব বলয়। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দেশে স্বর্ণ চোরাকারবার ও হুন্ডি কারবারের অন্যতম গডফাদার পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতে পালালেও গণঅভ্যত্থান পরবর্তী নতুন পুলিশ বাহিনীতে চট্রগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে ফের দাপুটে অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন বনজ কুমার মজুমদারের অনুসারী পিবিআই সিন্ডিকেটের কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে জেলার সচেতন মহলের বলছেন, নিজেকে অতি জামায়াত পন্থী প্রমাণের জন্য মরিয়া এই বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কতোটুকু নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন তা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গণে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

অন্যদিকে ইতোমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, আইজিপি কমপ্লেইন সেল, দুদকসহ অন্তত ১০ টি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এসপি এহতেশাম হকের বিরুদ্ধে। আরও জানাযায়, হাইকোর্টে রিট এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অভিযোগের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে এই এসপির বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পুলিশ সুপার এহতেশামুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। সুত্রঃ দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন।