মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়
- আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদারীপুর জেলার রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম আলহাজ্ব জাহান্দার আলী মিয়া। ছাত্র রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে, রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে তিনি আজ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জনপ্রিয় নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ ও সততার মূল্যায়ন হিসেবে এবার তাকে সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান মাদারীপুর ও রাজৈরবাসী। সাধারণ মানুষের দাবি— এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তার মতো একজন সৎ ও পরীক্ষিত নেতার বিকল্প নেই।
তৃণমূল থেকে জাতীয় সংসদ: এক সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমা
জাহান্দার আলী মিয়ার রাজনৈতিক জীবন কোনো শর্টকাট বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নয়। তিনি রাজনীতির একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে সংগ্রাম করে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন।
ছাত্রদলের হাত ধরে পথচলা: নব্বইয়ের দশকে ছাত্ররাজনীতির উত্তাল সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ছাত্র সমাজের অধিকার আদায়ে তিনি সবসময় সামনের সারিতে ছিলেন।
বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন: ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় শেষ করে তিনি মূল দল বিএনপিতে যোগ দেন। রাজৈর উপজেলা ও মাদারীপুর জেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের কঠিন ও দুঃসময়ে যখন অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন, তখনও তিনি নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং রাজপথে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ: দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সততা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার পুরস্কার হিসেবে তিনি মাদারীপুর-২ (রাজৈর-সদর আংশিক) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
কেন তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় মাদারীপুরবাসী?
মাদারীপুরের রাজৈর ও সদর এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জাহান্দার আলী মিয়াকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার পক্ষে বেশ কিছু জোরালো কারণ উঠে এসেছে!
”জাহান্দার আলী মিয়া আমাদের সুখ-দুঃখের সাথি। তিনি এমপি হওয়ার পর এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে গতি এসেছে। তাকে মন্ত্রী করা হলে মাদারীপুরের উন্নয়নের চাকা আরও দ্রুত ঘুরবে।”
রাজৈর বাজারের একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা: মাদারীপুর-২ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, জাহান্দার আলী মিয়াকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করলে এলাকার বড় বড় মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
সততা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি: একজন দুর্নীতিমুক্ত, বিনয়ী এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানো যায় এমন নেতা হিসেবে তার সুখ্যাতি রয়েছে। তার এই পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
দলের প্রতি দীর্ঘদিনের ত্যাগ: ছাত্রদল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত দলের জন্য তার যে ত্যাগ ও রাজপথের লড়াই, তার যথাযথ মূল্যায়ন হিসেবে তাকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হলে মাদারীপুর জেলা বিএনপি তথা তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হবে।
জনগণের প্রত্যাশা।
মাদারীপুর ও রাজৈরের আনাচে-কানাচে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন একটাই জোরালো দাবি— “জাহান্দার আলী মিয়াকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”
এলাকাবাসীর আশা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নীতি নির্ধারক মহল মাদারীপুরের আপামর জনতার এই প্রাণের দাবিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন এবং এই জনপদকে একটি সমৃদ্ধ ও মডেল জেলায় রূপান্তর করতে জাহান্দার আলী মিয়াকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করবেন।









