ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রাষ্ট্র মেরামতের পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার- এমপি জাহান্দার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মাদারীপুরে চারা বিতরণ নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের দৌড়ে এগিয়ে খোকন তালুকদার মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আগামীর নির্বাচন সহজ হবে না-এমপি জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে অসহায় পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করলেন এমপি হেলেন জেরিন মাদারীপুরে এশিয়া পোস্ট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদারীপুরে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় আপনারা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একএকজন এম্বাসেডর মাদারীপুরে- নৌপ্রতিমন্ত্রী

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন হত্যার আসামি মহসিনকে আনা হলো দেশে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ৭৭৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩৭

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পিবিআই সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ১৫ জুলাই দুবাই গিয়ে ২০ জুলাই মহসিন মিয়াকে দেশে নিয়ে আসে। দেশে ফিরেই মহসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হারুনুর রশিদ খান শিবপুর উপজেলার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন। ৯৪ দিন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রাতে আসামি আরিফ সরকার একটি বিদেশি নম্বর থেকে হারুনুর রশিদকে ফোন করে জানান, তিনি বিদেশে আছেন এবং মহসিন মিয়া মসজিদের জন্য কিছু অনুদান নিয়ে তার বাসায় যাবেন। চেয়ারম্যান তাকে পাঠাতে বলেন। পরদিন সকালে মহসিন মিয়া আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যায়। হারুনুর রশিদ নাস্তা আনতে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীরা তাকে গুলি করে। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় এবং পরে প্রাইভেট কারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দুবাই পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যানের ছেলে আমিনুর রশিদ খান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০–১২ জনকে আসামি করে শিবপুর থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন কামারগাঁও এলাকার আরিফ সরকার, ইরান মোল্লা ও হুমায়ুন, পূর্ব সৈয়দনগরের মহসিন মিয়া, মুনসেফেরচরের শাকিল এবং ভেলানগরের গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ।

ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ৭ মার্চ ফরহাদ হোসেন (৩৪) ও আরিফুল ইসলাম (২৮) নামে আরও দুজনকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই তদন্তভার পাওয়ার পর জহিরুল ইসলাম নামে আরেক পলাতক আসামিকে বিদেশে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরিফ, মহসিন ও হুমায়ুনের অবস্থান শনাক্ত করে। রেড নোটিশ জারির পর ২১ মে দুবাই পুলিশ মহসিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

এ পর্যন্ত মামলাটিতে ১৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মোস্তাইন হোসেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন হত্যার আসামি মহসিনকে আনা হলো দেশে

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
২৩৭

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পিবিআই সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ১৫ জুলাই দুবাই গিয়ে ২০ জুলাই মহসিন মিয়াকে দেশে নিয়ে আসে। দেশে ফিরেই মহসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হারুনুর রশিদ খান শিবপুর উপজেলার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন। ৯৪ দিন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রাতে আসামি আরিফ সরকার একটি বিদেশি নম্বর থেকে হারুনুর রশিদকে ফোন করে জানান, তিনি বিদেশে আছেন এবং মহসিন মিয়া মসজিদের জন্য কিছু অনুদান নিয়ে তার বাসায় যাবেন। চেয়ারম্যান তাকে পাঠাতে বলেন। পরদিন সকালে মহসিন মিয়া আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যায়। হারুনুর রশিদ নাস্তা আনতে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীরা তাকে গুলি করে। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় এবং পরে প্রাইভেট কারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দুবাই পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যানের ছেলে আমিনুর রশিদ খান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০–১২ জনকে আসামি করে শিবপুর থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন কামারগাঁও এলাকার আরিফ সরকার, ইরান মোল্লা ও হুমায়ুন, পূর্ব সৈয়দনগরের মহসিন মিয়া, মুনসেফেরচরের শাকিল এবং ভেলানগরের গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ।

ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ৭ মার্চ ফরহাদ হোসেন (৩৪) ও আরিফুল ইসলাম (২৮) নামে আরও দুজনকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই তদন্তভার পাওয়ার পর জহিরুল ইসলাম নামে আরেক পলাতক আসামিকে বিদেশে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরিফ, মহসিন ও হুমায়ুনের অবস্থান শনাক্ত করে। রেড নোটিশ জারির পর ২১ মে দুবাই পুলিশ মহসিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

এ পর্যন্ত মামলাটিতে ১৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মোস্তাইন হোসেন