ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রাষ্ট্র মেরামতের পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার- এমপি জাহান্দার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মাদারীপুরে চারা বিতরণ নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের দৌড়ে এগিয়ে খোকন তালুকদার মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আগামীর নির্বাচন সহজ হবে না-এমপি জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে অসহায় পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করলেন এমপি হেলেন জেরিন মাদারীপুরে এশিয়া পোস্ট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদারীপুরে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় আপনারা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একএকজন এম্বাসেডর মাদারীপুরে- নৌপ্রতিমন্ত্রী

মাদারীপুরে অবৈধ সম্পদ, সরকারী টাকা আত্মসাৎ, ও দালালীর অভিযোগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭১৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ মাদারীপুর পৌর শহরের তরমুগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার জমি ক্রয় (অবৈধ সম্পদ),শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, গালিগালাজ, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎসহ বিদ্যালয় চলাকালীন বাহিরে ঘোরাঘুরি বিভিন্ন তদবীর ও দালালির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রজু করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। সপ্তাহ খানেক পরে ঘটনাটি জনমুখে জানাজানি হলে ১৮ আগস্ট প্রতিবেদকের নজরে আসে। তবে অভিযোগ উঠেছে তিনি টাকার বিনিময় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন।

পরিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামান খানকে গত ৭ আগষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী রেজা সাক্ষরিত একটি পরিপত্র প্রদান করা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ আছে, সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল্য বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিমতে “অসদাচরস” ও “দুর্নীতি” এর দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।
এছাড়াও উল্লেখিত অপরাধের দায়ে তাকে কেনো চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা বা উপযুক্ত দন্ড প্রদান করা কেম হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ নিচে তুলে ধরা হলো:
> তিনি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে উপজেলা চত্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় অযথা ঘুরাফেরা করে বিভিন্ন তদবীর ও দানালী কাজে ব্যস্ত থাকেন।
> তিনি নিজে শ্রেণি পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদান পর্যবেক্ষন করেন না।
> তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যয় না করে আত্মসাত করেছেন।
> তিনি সহকারী শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
> তিনি কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই দাগে খতিয়ান নং ২৪৩ মৌজা নং ১১১ ও খতিয়ান নং ১৮৫৯ মৌজা নং ১১০ যথাক্রমে ০.০৫ একর ৬০.০৫ একর জমি ক্রয় করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে উক্ত জমির বাজার মুল্য প্রায় আনুমানিক ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হবে। যা উক্ত শিক্ষকের আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারীপুরে অবৈধ সম্পদ, সরকারী টাকা আত্মসাৎ, ও দালালীর অভিযোগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৩৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ মাদারীপুর পৌর শহরের তরমুগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার জমি ক্রয় (অবৈধ সম্পদ),শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, গালিগালাজ, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎসহ বিদ্যালয় চলাকালীন বাহিরে ঘোরাঘুরি বিভিন্ন তদবীর ও দালালির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রজু করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। সপ্তাহ খানেক পরে ঘটনাটি জনমুখে জানাজানি হলে ১৮ আগস্ট প্রতিবেদকের নজরে আসে। তবে অভিযোগ উঠেছে তিনি টাকার বিনিময় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন।

পরিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামান খানকে গত ৭ আগষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী রেজা সাক্ষরিত একটি পরিপত্র প্রদান করা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ আছে, সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল্য বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিমতে “অসদাচরস” ও “দুর্নীতি” এর দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।
এছাড়াও উল্লেখিত অপরাধের দায়ে তাকে কেনো চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা বা উপযুক্ত দন্ড প্রদান করা কেম হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ নিচে তুলে ধরা হলো:
> তিনি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে উপজেলা চত্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় অযথা ঘুরাফেরা করে বিভিন্ন তদবীর ও দানালী কাজে ব্যস্ত থাকেন।
> তিনি নিজে শ্রেণি পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদান পর্যবেক্ষন করেন না।
> তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যয় না করে আত্মসাত করেছেন।
> তিনি সহকারী শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
> তিনি কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই দাগে খতিয়ান নং ২৪৩ মৌজা নং ১১১ ও খতিয়ান নং ১৮৫৯ মৌজা নং ১১০ যথাক্রমে ০.০৫ একর ৬০.০৫ একর জমি ক্রয় করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে উক্ত জমির বাজার মুল্য প্রায় আনুমানিক ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হবে। যা উক্ত শিক্ষকের আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।