ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রাষ্ট্র মেরামতের পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার- এমপি জাহান্দার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মাদারীপুরে চারা বিতরণ নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের দৌড়ে এগিয়ে খোকন তালুকদার মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আগামীর নির্বাচন সহজ হবে না-এমপি জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে অসহায় পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করলেন এমপি হেলেন জেরিন মাদারীপুরে এশিয়া পোস্ট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদারীপুরে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় আপনারা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একএকজন এম্বাসেডর মাদারীপুরে- নৌপ্রতিমন্ত্রী

এক যুবতীকে ১২দিন আটক রেখে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার!অন্য এক নারীকে হত্যার অভিযোগে ৭ বছর ছিলো আত্মগোপনে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ৬৭৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৮৬

ডেস্ক নিউজঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার হিরাঝিল এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার মূল আসামি এবং ২০১৮ সালের একটি নারী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোঃ রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগের একটি টিম। গ্রেপ্তারকৃত মো. রুহুল মিয়া সিলেটের বালাগঞ্জ থাানার নতুন সোনামপুর (কাউন্তঘাট) গ্রামের সমসের মিয়ার ছেলে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে সিআইডি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৩ মার্চ ঢাকার পল্লবী থানার সেকশন-৬, ব্লক-ডি এলাকার একটি বাসার সামনে থেকে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে অপহরণ করা হয়। সেখানে আসামি রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিন অন্য সহযোগী আসামিদের সহায়তায় তাকে প্রায় ১২ দিন আটকে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।

সিআইডি জানিয়েছে, এরপর ভিকটিম কৌশলে আসামি রুহুল মিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার মায়ের মোবাইল নম্বরে কল করে এবং নিজের অবস্থান ও বিপদের কথা জানান। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা-মা গত ১৫ তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এ ঘটনার পর ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে সিআইডি, ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগে তদন্তের জন্য হস্তান্তর করা হয়। তদন্তভার গ্রহণের পর সিআইডি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিনকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন হিরাঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল মিয়া ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছেন।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, গ্রেপ্তারের পর তদন্তে আরও জানা যায়, রুহুল মিয়া সিলেটের বালাগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর থেকেই পলাতক ছিলেন এবং ঢাকায় আত্মগোপনে থেকে নতুন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এক যুবতীকে ১২দিন আটক রেখে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার!অন্য এক নারীকে হত্যার অভিযোগে ৭ বছর ছিলো আত্মগোপনে

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
১৮৬

ডেস্ক নিউজঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার হিরাঝিল এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার মূল আসামি এবং ২০১৮ সালের একটি নারী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোঃ রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগের একটি টিম। গ্রেপ্তারকৃত মো. রুহুল মিয়া সিলেটের বালাগঞ্জ থাানার নতুন সোনামপুর (কাউন্তঘাট) গ্রামের সমসের মিয়ার ছেলে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে সিআইডি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৩ মার্চ ঢাকার পল্লবী থানার সেকশন-৬, ব্লক-ডি এলাকার একটি বাসার সামনে থেকে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে অপহরণ করা হয়। সেখানে আসামি রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিন অন্য সহযোগী আসামিদের সহায়তায় তাকে প্রায় ১২ দিন আটকে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।

সিআইডি জানিয়েছে, এরপর ভিকটিম কৌশলে আসামি রুহুল মিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার মায়ের মোবাইল নম্বরে কল করে এবং নিজের অবস্থান ও বিপদের কথা জানান। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা-মা গত ১৫ তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এ ঘটনার পর ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে সিআইডি, ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগে তদন্তের জন্য হস্তান্তর করা হয়। তদন্তভার গ্রহণের পর সিআইডি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রুহুল মিয়া ওরফে রুহুল আমিনকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন হিরাঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল মিয়া ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছেন।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, গ্রেপ্তারের পর তদন্তে আরও জানা যায়, রুহুল মিয়া সিলেটের বালাগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর থেকেই পলাতক ছিলেন এবং ঢাকায় আত্মগোপনে থেকে নতুন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন।