ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রাষ্ট্র মেরামতের পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার- এমপি জাহান্দার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মাদারীপুরে চারা বিতরণ নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের দৌড়ে এগিয়ে খোকন তালুকদার মাদারীপুরবাসী জাহান্দার আলী মিয়াককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আগামীর নির্বাচন সহজ হবে না-এমপি জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে অসহায় পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করলেন এমপি হেলেন জেরিন মাদারীপুরে এশিয়া পোস্ট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদারীপুরে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় আপনারা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একএকজন এম্বাসেডর মাদারীপুরে- নৌপ্রতিমন্ত্রী

মাদারীপুর এলজিইডি ও পিআইও কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৫২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছে দুদক মাদারীপুর অফিস।

দুদক জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে চেয়ারম্যান না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কাবিখা ও কবরস্থান উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে দেখা যায়, এলজিইডির অর্থায়নে সদর উপজেলার এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির সামনে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে, যা জনস্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছে দুদক। এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর ১% প্রকল্পের কাজ দেয়া হয়েছে, কারিমা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে, যা একজন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার স্ত্রীর মালিকানাধীন। বিষয়টি আইনসঙ্গত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সদর উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তিরা জানান, সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন ছিলেন আওয়ামী দোসর, তিনি অফিস করতেন কালু খানের চেম্বারে বসে। কাউকে তোয়াক্কা করতোনা, নিজের মনগড়া প্রজেক্ট বানাতেন। ঠিকাদারি কাজের বিলে নিতে গেলে ২% টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করতেন না এ-ই মনোয়ার। এমনকি কেউ কিছু জানতে চাইলে তাদেরকে আওয়ামী রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে ভয় দেখাতেন। আমরা মাদারীপুরবাসী তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার দাবি করছি।

দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রতিটি দপ্তরের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ফাইলপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারীপুর এলজিইডি ও পিআইও কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৫২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছে দুদক মাদারীপুর অফিস।

দুদক জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে চেয়ারম্যান না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কাবিখা ও কবরস্থান উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে দেখা যায়, এলজিইডির অর্থায়নে সদর উপজেলার এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির সামনে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে, যা জনস্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছে দুদক। এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর ১% প্রকল্পের কাজ দেয়া হয়েছে, কারিমা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে, যা একজন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার স্ত্রীর মালিকানাধীন। বিষয়টি আইনসঙ্গত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সদর উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তিরা জানান, সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন ছিলেন আওয়ামী দোসর, তিনি অফিস করতেন কালু খানের চেম্বারে বসে। কাউকে তোয়াক্কা করতোনা, নিজের মনগড়া প্রজেক্ট বানাতেন। ঠিকাদারি কাজের বিলে নিতে গেলে ২% টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করতেন না এ-ই মনোয়ার। এমনকি কেউ কিছু জানতে চাইলে তাদেরকে আওয়ামী রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে ভয় দেখাতেন। আমরা মাদারীপুরবাসী তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার দাবি করছি।

দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রতিটি দপ্তরের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ফাইলপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেও ছাড় দেওয়া হবে না।